• Bangladesh Mathematical Olympiad
  • Bangladesh Mathematical Olympiad
  • Bangladesh Mathematical Olympiad
  • Bangladesh Mathematical Olympiad
  • Bangladesh Mathematical Olympiad
  • Bangladesh Mathematical Olympiad
  • Bangladesh Mathematical Olympiad
  • Bangladesh Mathematical Olympiad
  • Bangladesh Mathematical Olympiad
Print

পাই দিবস উদ্যাপন

pai Dayপাইয়ের মান নির্ণয়, পাই নিয়ে কিছু কথা আর সবশেষে পাই কেক কাটার মধ্য দিয়ে ১৪ মার্চ বিশ্ব পাই দিবস ২০১২ উদ্যাপন করল বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি। বিকেল পাঁচটায় অষ্টম বাংলাদেশ গণিত ক্যাম্পে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়। ২০০৬ সাল থেকে শুরু করে বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি প্রতিবছর ‘পাইয়ের মতো সুন্দর হোন’ স্লোগানে গণিতের ভালোবাসা ও সৌন্দর্য সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পাই দিবস উদ্যাপন করে থাকে। সংগঠনটি টানা সপ্তমবারের মতো ‘পাই দিবস’ পালন করে। অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির স্বেচ্ছাসেবক, ম্যাথ অলিম্পিয়াড ভলান্টিয়ার্স (মুভার্স), গণিত অলিম্পিয়াডের বর্তমান ও সাবেক খুদে শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। পরে সবার অংশগ্রহণে পাই কেক কাটা, খাওয়া ও পাই আনন্দ আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠান।

Print

ঢাকায় হয়ে গেল এপিএমও

Apmo-1১৩ মার্চ বিশ্বের ২৬টি দেশে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক গণিত অলিম্পিয়াডÑএশিয়ান প্যাসিফিক ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াডের (এপিএমও) ২৪তম আয়োজন। ২৪তম এপিএমওতে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকার টিচার্স ট্রেনিং কলেজে। এপিএমওর নিয়ম অনুযায়ী অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দেশের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা হয়েছে নিজ নিজ দেশে। এপিএমওর সদস্য ২৬টি দেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে পৃথিবীর এই সর্ববৃহৎ আঞ্চলিক গণিত অলিম্পিয়াড। তবে ভৌগোলিক অবস্থান ও সময়ের ব্যবধানের জন্য দেশভেদে কয়েক ঘণ্টার সময় পার্থক্য হয়ে থাকে। সে হিসাবে আমেরিকা অঞ্চলের দেশগুলোর অলিম্পিয়াড হয় ১২ মার্চ বিকেলে এবং বাংলাদেশসহ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার দেশগুলোর অলিম্পিয়াড হয় ১৩ মার্চ সকালে। বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত হলেও এপিএমওর পরীক্ষা হয় অভিন্ন প্রশ্নে। এবার অলিম্পিয়াডটি সমন্বয় করে জাপান। দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং প্রথম আলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশে এপিএমওর আয়োজন করেছে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি। ঢাকায় অনুষ্ঠিত এপিএমওতে সারা দেশ থেকে আসা প্রাক্-বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ৯৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এবার অনুষ্ঠিত ২৪তম এপিএমওতে অংশগ্রহণকারী সানিডেল স্কুলের আল রোহিত হোসেনের সঙ্গে এসেছিলেন তাঁর মা। তিনি বলছিলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ের এ ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশ নিলে অভিজ্ঞতা বাড়ে, আবার অনেক কিছু শেখাও হয়, তাই এ প্রতিযোগিতায় আসা।’ তিনি আরও জানান, ‘অভিজ্ঞতা আর জানার বিষয়টি বাড়াতে এ ধরনের আয়োজন অনেক উপকারী।’
বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত হলেও এপিএমওর পরীক্ষা হয় একই প্রশ্নে। মূল প্রশ্ন অলিম্পিয়াডে গণিতের পাঁচটি সমস্যা সমাধানের জন্য চার ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়। প্রতিটি প্রশ্নের সর্বোচ্চ মান ছিল ৭। পরে সব শিক্ষার্থীর উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। একই সঙ্গে প্রথম ১০ জনের ফলাফল এবং নমুনা হিসেবে প্রথম, তৃতীয় ও সপ্তম স্থান অধিকারীর উত্তরপত্র জাপানে পাঠানো হবে।
ঢাকায় অনুষ্ঠিত এপিএমওতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান।

Print

গণিতবাড়ির দিনগুলো

Math Camp

গণিত ক্যাম্প! শুনতেই কেমন যেন ভয় লাগে, যেখানে সারা দিন সবাই ভেসে বেড়াবে গণিতের মহাসমুদ্রে। প্রতিবারের মতো এবারও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় ও প্রথম আলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির আয়োজনে শেষ হলো অষ্টম বাংলাদেশ গণিত ক্যাম্প। ঢাকার পদক্ষেপ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট আদাবরে ১১ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় ক্যাম্পটি। সারা দেশ থেকে দশম বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে বাছাই করা ৪১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয় এবারের ক্যাম্পে। সঙ্গে ছিল গতবারের আইএমওতে অংশ নেওয়া জাতীয় গণিত দলের সদস্যরাও।
এবারের ক্যাম্পে জ্যামিতির পাশাপাশি নম্বর থিওরিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলতে থাকে ক্লাস, গ্র“প স্টাডি, হোমওয়ার্ক, গণিতের নতুন নতুন সমস্যা নিয়ে আলোচনা ও চিন্তাভাবনা। সেই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের গণিতের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, আলোচনা করা হয় বিগত বছরের আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের প্রশ্নপত্র নিয়েও। আরও ছিল চারটি ভিন্ন ধরনের পরীক্ষা এবং গাণিতিক মেধা ও যোগ্যতা যাচাইয়ের আয়োজন। এসব  পরীক্ষার ফল থেকেই বাছাই করা হবে ৫৩তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের (আইএমও) জন্য বাংলাদেশ গণিত দল। তাদের নিয়ে আরও একটি বর্ধিত গণিত ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে, যার মাধ্যমে মূল দল চ‚ড়ান্ত করা হবে।
সব মিলিয়ে এবারের ক্যাম্পটিতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিল বাড়তি চাপ। তাই বলে কি আনন্দ থেমে থাকবে? বাড়ি থেকে অনেক দূরে অন্য রকম একটি পরিবেশে গণিতের এ ক্যাম্পকে আনন্দমুখর করে রাখতে ছিল বিভিন্ন আয়োজন। এবারের ক্যাম্পে বিগত আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের (আইএমও) অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে হাজির ছিল কাজী হাসান জুবায়ের, ফাহিম ফেরদৌস, প্রাণন রহমান, ধনঞ্জয় বিশ্বাস, সৌরভ দাস, নূর মোহাম্মদ শফিউল্লাহ। বাড়তি আনন্দ হিসেবে ছিল ১৪ মার্চ পাই দিবস উদ্যাপন। ক্যাম্প সমন্বয়ক অভীক রায়ের হাস্যোজ্জ্বল উপস্থাপনা সব সময় একটি উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখত। রাতে রাফির জাদু, মুগ্ধ-øিগ্ধর গান, সুদীপ্ত আর হাসিব আল মুহাইমিনের কৌতুক সবাইকে বিশেষ আনন্দ দিয়েছে। এ ছাড়া ক্যাম্প ফ্যাসিলিটেটর  কামরুল, সুদীপ্ত, মাসনাদ, তমাল, নাভেদ ও তুষারের উপস্থিতি সব সময় ছিল সরব। গণিত ক্যাম্পে বিশেষ আনন্দ হলো যখন জানা গেল ক্যাম্পের মেন্টর তামান্না ইসলাম ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে এবার ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।  গণিত ক্যাম্পে যত কিছুই ঘটুক না কেন, সবকিছুতেই গণিত বিষয়টা কিন্তু থাকতই। দেখা গেল, সবাই মিলে খাবারের রুমে আড্ডায় কথা হচ্ছে ক্লাস রোল নিয়ে। কারও রোল ৪, কারও ৯, হঠাৎ একজন বলে উঠল, এগুলো না বর্গসংখ্যা। ব্যস, এই আড্ডা বদলে গেল গণিতের আড্ডায়। এশিয়া কাপে বাংলাদেশের ভারত দলকে পরাজয় ক্যাম্পে বাড়তি আনন্দ যোগ করে। ক্যাম্পের শুরুতেই ১৩ মার্চ গণিত ক্যাম্পের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয় এশিয়া প্যাসিফিক গণিত অলিম্পিয়াডে (এপিএমও)।  সব মিলিয়ে অনেক চাপ, সঙ্গে মজাও হয়েছে অনেক। ক্যাম্পে বিভিন্ন সেশনের পুরো পরিকল্পনা করেছেন গণিত ক্যাম্পের পরিচালক বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড দলের কোচ ড. মাহবুব মজুমদার। ১৯ মার্চ রাতে ক্যাম্পের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ,  ড. মাহবুব মজুমদার, তথ্য প্রযুক্তিবিদ জাকারিয়া স্বপন, বুয়েটের শিক্ষক ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী, প্রথম আলোর উপফিচার সম্পাদক পল্লব মোহাইমেন, একাডেমিক কাউন্সিলর মাহমুদুল হাসান, হাম্মাদ আলী, সৌমিত্র চক্রবর্তীসহ মুভার্স কেন্দ্রীয় সার্কেলের সদস্যরা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ২০০৯ সালের আইএমও-তে ব্রোঞ্জ পদক বিজয়ী সামিন রিয়াসাতের মা রাজিয়া বেগম এবং নাজিয়া চৌধুরীর মা জেসমিন আক্তার। ক্যাম্পারদের উৎসাহ দিতে বিগত বছরে ক্যাম্পে অংশ নেওয়া ক্যাম্পার ও আইএমও দলের সাবেক সদস্যদের মধ্যে ফারিয়া, সৌমেন, শান্ত, রাফি উপস্থিত ছিলেন। সমাপনী অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান। ক্যাম্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গণিত অলিম্পিয়াডের সমন্বয়কারী বায়েজিদ ভ‚ঁইয়া ও ক্যাম্প সমন্বয়ক রকিবুল ইসলামের সঙ্গে ছিল মুভার্স সাজ্জাদ হোসেন, আইয়ুব সরকার, জয়দীপ সুমন, মিজানুর রহমান, জাহিদ হোসাইন, রাকিব, বকুল, ফেরদৌস, দীপ, স্বাক্ষরসহ অনেকে। 

Print

ফরিদগঞ্জে গণিত উৎসব

Faridgonj-1মজার বিষয় গণিত আর গণিতের ভয় দূর করে গণিতকে ভালোবাসতে হবে। তাই স্লোগান ছিল ‘গণিতের ভয়, করব জয়’। এ স্লোগান সামনে রেখে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় প্রথমবারের মতো হয়ে গেল গণিত উৎসব। ফরিদগঞ্জ সদরের একদল শিক্ষার্থীর সংগঠন ড্রিম টেন্ডস টু রিয়েলিটির উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির একাডেমিক সহযোগিতায় ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছে গণিতের এই আয়োজন। উপজেলার পূর্ব বড়ালী কবির জুনিয়র উচ্চবিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই আয়োজন উপলক্ষে সকালে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা হয়। শোভাযাত্রা শেষে শিক্ষার্থীরা অংশ নেয় মূল উৎসবে।
উৎসবে নিজের ছেলেকে নিয়ে এসেছিলেন চাকরিজীবী মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের গণিতভীতি দূর করতে এ ধরনের আয়োজন বেশ উপকারী। মূলত গণিতের নানা বিষয় জানাতে নিজের ছেলেকে নিয়ে এসেছিলেন বলেও জানান তিনি। উৎসবে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী লামিয়া তানজিম বলে, ‘গণিত উৎসবে অংশ নিয়ে ভালো লেগেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনে অংশ নিতে চাই।’
পূর্ব বড়ালী কবির জুনিয়র উচ্চবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শাহজান কবিরের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
গণিতের এই আয়োজনে অংশ নেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক গোলাম মোস্তফা ও আলমগীর হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম মজুমদার, ফরিদগঞ্জ এ আর পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র, কবির জুনিয়র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নেছার আহাম্মেদসহ অনেকে। দিনব্যাপী গণিতের এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের ও সেরা ১০ শিক্ষার্থীকে সনদ দেওয়া হয়।

apmoimoimo-logo-2017