• Bangladesh Mathematical Olympiad
  • Bangladesh Mathematical Olympiad
  • Bangladesh Mathematical Olympiad
  • Bangladesh Mathematical Olympiad
  • Bangladesh Mathematical Olympiad
  • Bangladesh Mathematical Olympiad
  • Bangladesh Mathematical Olympiad
  • Bangladesh Mathematical Olympiad
  • Bangladesh Mathematical Olympiad
Print

রংপুরে জমজমাট গণিত উৎসব শুরু

রংপুর জিলা স্কুলে আজ সোমবার সকালে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক-প্রথম আলো গণিত উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। ছবি: সোয়েল রানারংপুর জিলা স্কুলে আজ সোমবার সকালে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক-প্রথম আলো গণিত উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। ছবি: সোয়েল রানা

 

মাঝরাতে বৃষ্টি হয়েছে। সকাল থেকেই ঘন কুয়াশা। সঙ্গে হাড়কাঁপানো শীত। তাতে কী? গণিত উৎসবে প্রতিযোগীদের ভিড় কমেনি একটুও। গরম পোশাক গায়ে চাপিয়ে ঠিক সময়ে রংপুর জিলা স্কুলের মাঠে হাজির সবাই।

উৎসবে আগত প্রতিযোগীরা। ছবি: সোয়েল রানাআজ সোমবার সকাল নয়টার দিকে বেলুন ও জাতীয় পতাকা উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ার। আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের পতাকা উত্তোলন করেন ডাচ্‌–বাংলা ব্যাংকের রংপুর শাখার ব্যবস্থাপক শিষ মুহম্মদ আবু হানিফা। বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডের পতাকা তোলেন রংপুর জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক এ আর মিজানুর রহমান। উৎসবে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

উৎসবে খুদে প্রতিযোগীরা। ছবি: সোয়েল রানাউৎসবে চার ক্যাটাগরিতে অংশ নিয়েছে রংপুর বিভাগের কয়েকটি জেলা থেকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ৫০৭ জন শিক্ষার্থী এতে অংশ নেয়। উদ্বোধন পর্বের পরে সারিবদ্ধভাবে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে চলে যায়। সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে শুরু হয় মূল্যায়ন পরীক্ষা। সোয়া ঘণ্টার পরীক্ষা শেষে প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু হওয়ার কথা।

বাদ্যের তালে তালে স্কুলে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। ছবি: সোয়েল রানা

উৎসবে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান উপস্থিত ছিলেন।

বেলুন উড়িয়ে রংপুর জিলা স্কুলে উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। ছবি: সোয়েল রানা

Print

বগুড়ায় আঞ্চলিক গণিত উৎসব: গণিত জয়ের স্বপ্ন সত্যি হবেই

 

Math Olympiad 2017 logo


আজকের তরুণ প্রজন্ম গণিত জয়ের যে স্বপ্ন দেখছে, তা সত্যি হবেই। গণিত নিয়ে সব ভীতি কাটিয়ে তারা সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছাবেই। সেই দিন খুব বেশি দূরে নয়। বগুড়ার বিয়াম মডেল ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে গতকাল শনিবার ডাচ্-বাংলা ব্যাংক-প্রথম আলো গণিত উৎসবের আঞ্চলিক আসর থেকে এমন প্রত্যয়ের কথা শোনা গেল শিক্ষার্থী ও অতিথিদের কণ্ঠে।

রংবেরঙের স্কুল পোশাক পরে আসা সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর হইচই আর উল্লাসে মুখরিত হয়ে উঠেছিল কলেজ চত্বর। তাদের মুখরতা কনকনে শীতের সকালে উৎসবে আসা অতিথি ও অভিভাবকদেরও যেন ছুঁয়ে গিয়েছিল। উৎসবে বগুড়া ছাড়াও জয়পুরহাট, গাইবান্ধা ও সিরাজগঞ্জ জেলার শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির আয়োজনে এবং প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনায় এ অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক ডাচ্-বাংলা ব্যাংক।
সকাল নয়টায় সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে উৎসব শুরু হয়। বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো. আশরাফ উদ্দিন জাতীয় পতাকা, বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. মুস্তাফিজুর রহমান জাতীয় অলিম্পিয়াডের পতাকা এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের বগুড়া শাখার ব্যবস্থাপক ফজলুল কবির আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের পতাকা উত্তোলন করেন। পরে বেলুন উড়িয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক।
গণিত শেখার প্রতি শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিয়ে জেলা প্রশাসক মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, গণিত নিয়ে একসময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতি ও আতঙ্ক ছিল। এখন তা ভীতির বিষয় নয়। শিক্ষার্থীরা আনন্দ নিয়ে এই গণিত উৎসবে যোগ দিচ্ছে। ভীতি কাটিয়ে এই বিষয়টি শিক্ষার্থীদের কাছে সহজ করে তুলে ধরার ক্ষেত্রে অনবদ্য ভূমিকা পালন করছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক-প্রথম আলো। গণিত জয়ের স্বপ্ন একদিন সত্যি হবেই।
জেলা প্রশাসক বলেন, যারা সেরা তারা কখনো মাদক নেয় না। মিথ্যা বলে না। দুর্নীতি করে না। আর সেরা মেয়েরা কখনো বাল্যবিবাহে রাজি হয় না।
এরপর গণিতের ওপর ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের মূল্যায়ন পরীক্ষা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দ্বিতীয় পর্ব। বগুড়ার আমরা কজন শিল্পীগোষ্ঠীর নৃত্যশিল্পীরা অনুষ্ঠানে দুটি নাচ পরিবেশন করেন। সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী লাবণ্য ও তার দল গণিতের গান গেয়ে শোনায়। এরপর শুরু হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব। এ পর্ব সঞ্চালন করেন জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াড দলের মাহমুদুল হাসান সোহাগ। শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক লায়েক সাজ্জাদ এন্দেল্লাহ, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক খায়রুল আলম, সরকারি আজিজুল হক কলেজের গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলম মণ্ডল, রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারুক আহমেদ এবং পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক মাহফুজুর রহমান। এ পর্বে শিক্ষার্থীদের মাদক, মিথ্যা ও মুখস্থকে ‘না’ বলে শপথ করান মাহমুদুল হাসান। অতিথিদের বক্তব্য ও আঞ্চলিক পর্বে বিজয়ীদের হাতে পদক তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
অতিথির বক্তব্যে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের বগুড়ার ব্যবস্থাপক ফজলুল কবির বলেন, গণিত শিখে জীবন সুন্দর করে গড়ে তুলতে হবে। দেশের জন্য কাজ করতে হবে।
বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সুন্দর আগামীর জন্য শিক্ষার্থীদের আলোকিত মানুষ হতে হবে। গণিত জয়ের এই চ্যালেঞ্জের জন্য শিক্ষার্থীদের নিজেকে তৈরি থাকতে হবে। গণিত জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকে জয় করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী অধ্যাপক খায়রুল আলম, প্রথম আলোর বগুড়ার অফিস ব্যবস্থাপক শরিফুল ইসলাম ও আঞ্চলিক বিক্রয় নির্বাহী জাকির হোসাইন বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রাথমিক ক্যাটাগরিতে ১৬, জুনিয়র ক্যাটাগরিতে ১৩, সেকেন্ডারিতে ১৫ এবং হায়ার সেকেন্ডারি ক্যাটাগরিতে ১৫ জনসহ মোট ৫৮ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করে তাদের হাতে মেডেল, টি-শার্ট ও ঢাকার চিঠি তুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মুস্তাফিজুর রহমানের হাতে তুলে দেওয়া হয় ভেন্যু স্মারক।

Print

ঢাকা অঞ্চলিক গণিত উৎ​সবের রেজিস্ট্রেশন শেষ

পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ি গতকাল ২৩ ডিসেম্বর ২০১৬ সকাল থেকে ঢাকা আঞ্চলিক গণিত উৎসবের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়। রেজিস্ট্রেশন শুরুর দ্বিতীয় দিন অাজ ২৪ ডিসেম্বর ‘আগে এলে আগে’ ভিত্তিতে নির্ধারিত সংখ্যক শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি। 


 

Print

রংপুর আঞ্চলিক গণিত উৎসব: উৎসবে এসে গণিত সহজ

গণিত নিয়ে পরীক্ষা চলছে। সমাধান নিয়ে ভাবছে শিশুটি। গতকাল রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত গণিত উৎসবের দৃশ্য l ছবি: প্রথম আলোগণিত নিয়ে পরীক্ষা চলছে। সমাধান নিয়ে ভাবছে শিশুটি। গতকাল রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত গণিত উৎসবের দৃশ্য l ছবি: প্রথম আলো

 

যখন অঙ্ক করি, মনে হয় শুধু অঙ্কই করি। আবার কখনো কিছুতেই অঙ্ক ভালো লাগে না। কেন এমন হয়? গণিত দিয়ে কেন নিজের নাম লেখা যায় না? আকাশের তারাগুলো কেন পাঁচকোনা বিশিষ্ট মনে হয়? খুদে গণিতবিদদের এমনই নানা মজার প্রশ্ন আর মঞ্চে উপস্থিত অতিথিদের উত্তরের মধ্য দিয়ে গতকাল শুক্রবার রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে গণিত উৎসবের আঞ্চলিক পর্ব।
ছুটির দিনে কুয়াশায় ঢাকা চারপাশ; সঙ্গে ঠান্ডা বাতাস—কিছুই ঠেকাতে পারেনি খুদে গণিতবিদদের। সাতসকালেই ভরে গিয়েছিল রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের মাঠটি। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই যেন শুরু হয়ে যায় গণিত উৎসব। প্রথম আলো বন্ধুসভার স্টল ও বইয়ের দোকানে তখনো উপচে পড়া ভিড়। তবে ঘড়িতে যখন সকাল সাড়ে আটটা, তখনই মঞ্চে বেজে উঠল জাতীয় সংগীত। শুরু হলো গণিত উৎসব। সহস্র কণ্ঠে ঘোষিত হলো সবার কাছে সহজ হয়ে গেছে গণিত।
বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির আয়োজন, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনায় গতকালের এ উৎসবে অংশ নেয় রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৯০৩ জন শিক্ষার্থী।
উদ্বোধনী পর্বে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের পতাকা ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পতাকা উত্তোলন করেন যথাক্রমে রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দিন, রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক নূরজাহান বেগম ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের স্থানীয় ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম। বেলুন উড়িয়ে জেলা প্রশাসক উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, প্রথম আলো নবীন শিক্ষার্থীদের সুন্দর পথের সন্ধান দেখাচ্ছে। চমৎকার এ আয়োজনের জন্য তিনি প্রথম আলো কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।
উদ্বোধনী শেষে শিক্ষার্থীরা অংশ নেয় এক ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষায়। সোয়া ১১টায় হল থেকে বেরিয়ে আসে শিক্ষার্থীরা। এ সময় মঞ্চে বেজে ওঠে গণিতের গান। সঙ্গে সঙ্গে কে কার আগে মঞ্চের সামনে বসবে, তা নিয়ে শুরু হয় শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতা।
এরপর শুরু হয় উৎসবের সবচেয়ে মজার পর্ব—প্রশ্নোত্তর। এ সময় মঞ্চে ছিলেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইকবাল মতিন, অধ্যাপক ফিরুজ আলম, সহকারী অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সালেহ হাসান নকিব, রাজশাহী টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ আবদুস সামাদ প্রমুখ। এই পর্বে শিক্ষার্থীরা মজার মজার প্রশ্ন করে পুরস্কার জিতে নেয়।
দুপুরের বিরতির পর উৎসব শুরু হয় বন্ধুসভার বন্ধু রেজাউল করিমের গান দিয়ে। উপস্থিত সবাই গানের সঙ্গে ঠোঁট মেলায়। কয়েকজন শিক্ষার্থী গান ও কবিতা আবৃত্তি করে শোনায়। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডের সদস্য জাহিদ হুসাইন শিক্ষার্থীদের মুখস্থ, মাদক ও মিথ্যাকে না বলার অঙ্গীকার করান।
পুরস্কার বিতরণের আগে এক মিনিট পর্বে অতিথিরা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। এ সময় অধ্যাপক ইকবাল মতিন অমসৃণ খেজুরগাছ থেকে মিষ্টি রস বের করার সঙ্গে তুলনা করে গণিতের অধ্যয়ন করার কথা বলেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, গণিত কঠিন নাকি সহজ? উত্তরে খুদে গণিতবিদেরা সহস্র কণ্ঠে বলে ওঠে, উৎসবে এসে সহজ হয়ে গেছে গণিত।
উৎসবের সমাপনী পর্বে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এতে প্রাথমিক ক্যাটাগরিতে ১২, জুনিয়রে ২৪, সেকেন্ডারিতে ১৭ ও হায়ার সেকেন্ডারিতে ১২ জনকে পদক ও টি-শার্ট দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রথম আলোর রাজশাহীর নিজস্ব প্রতিবেদক আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক নূরজাহান বেগমের হাতে ভেন্যু স্মারক তুলে দেন।

apmoimoimo-logo-2017