মুনির হাসান, সান্তা মার্তা (কলম্বিয়া) থেকে |  জুলাই ২৭, ২০১৩ | 
পাঠকেরা যখন এই প্রতিবেদন পড়বেন, ততক্ষণে প্রায় সব দেশের উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ শেষ হয়ে যাবে। সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য প্রতীক্ষার প্রহর। কত নম্বর পেলে একজন পাবে ব্রোঞ্চ পদক? কততে হবে সোনা বা রুপা? ২৫ তারিখেই বাংলাদেশ গণিত দলের কোচ মাহবুব মজুমদার আর আমি আমাদের শিক্ষার্থীদের ১, ২, ৪ ও ৬ নম্বরের মূল্যায়ন ও সমন্বয়ের কাজ শেষ করেছি। ২৬ তারিখে দুপুর (বাংলাদেশ সময় গতকাল মধ্যরাত) নাগাদ বাকি দুটি মূল্যায়নের কাজ শেষ হবে। আইএমওর নিয়মানুসারে উত্তরপত্র নিজ নিজ দেশের দলনেতা ও উপদলনেতার পাশাপাশি আয়োজকদের পক্ষ থেকেও মূল্যায়ন করা হয়। পরে উভয় পক্ষ প্রাপ্ত নম্বরের ব্যাপারে একমত হলেই তা শিক্ষার্থীর নম্বর হিসেবে গৃহীত হয়। চারটি সমস্যা থেকে আমাদের চার খুদে গণিতবিদের অর্জন যথাক্রমে নূর মোহাম্মদ সফিউল্লাহ ১৯, আদীব হাসান ১৬, সৌরভ দাশ ১৪ এবং মো. জাহিদুল হাসান ৭। প্রত্যেকেই কমপক্ষে একটি করে সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান করে নিজেদের সম্মানসূচক স্বীকৃতি নিশ্চিত করেছে। বাকি দুই সমস্যার ওপর নির্ভর করছে সফিউল্লাহ, আদীব ও সৌরভের পদকের নিশ্চয়তা। ২৬ তারিখের মূল্যায়ন শেষে ২৭ তারিখে ফলাফল ও পদকের হিসাব চূড়ান্ত হবে। এবার নিয়ে বাংলাদেশের খুদে গণিতবিদেরা নবমবারের মতো আইএমওতে অংশ নিচ্ছে। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতা এবং প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি সারা দেশে ১৭টি গণিত উৎসবের মাধ্যমে আইএমওর জন্য এই চার প্রতিযোগীকে নির্বাচিত করেছে।