এশিয়ান-প্যাসিফিক ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াডের (এপিএমও) বাংলাদেশ দল একটি রৌপ্য ও ছয়টি ব্রোঞ্জপদক অর্জন করেছে। এ ছাড়া তিনজন পেয়েছে সম্মানজনক স্বীকৃতি। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিবছর আয়োজন করা হয় এ প্রতিযোগিতা।

এবারের আন্তর্জাতিক আয়োজনে ৩৫টি দেশের ৩১৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। দলীয় স্কোর সর্বমোট ১২৯ নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়ায় ১৮তম। গতকাল শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে আয়োজকদের পক্ষ থেকে এই ফল ঘোষণা করা হয়।

বাংলাদেশ দলের রৌপ্যপদক অর্জন করেছে সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের এস এম এ নাহিয়ান। ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের আহিল ইসলাম, নাটোর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের রায়ান বিনতে মোস্তফা, নটর ডেম কলেজের তাহমিদ হামীম চৌধুরী, আদনান সাদিক ও মো. আশরাফুল ইসলাম এবং ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের মো. ফুয়াদ আল আলম। সম্মানজনক স্বীকৃতি পেয়েছে মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের তাহমিম নূর জাহিন, মনিপুর উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের সানিভা রাকিব ও বগুড়া জিলা স্কুলের আরিত্র দাশ।

এর আগে গত ১৫ মার্চ ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে সামাজিক দূরত্ব মেনে এ আয়োজন করা হয়। সবচেয়ে ভালো নম্বর পাওয়া ১০ জনের উত্তরপত্র পাঠানো হয় আয়োজক কমিটির কাছে। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রথম আলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশে এপিএমও আয়োজন করে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি।

বাংলাদেশ প্রথম এপিএমওতে অংশ নেয় ২০০৮ সালে। বাংলাদেশে গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি স্থানীয়ভাবে এপিএমও আয়োজন করে। প্রথম বছরে কোনো পদক না পেলেও ধীরে ধীরে ভারী হতে থাকে বাংলাদেশের ঝুলি। গত ১৫ বছরের ফলাফল অনুসারে বাংলাদেশের সর্বমোট পদক ৫৬টি, যার মধ্যে ১টি স্বর্ণপদক, ১২টি রৌপ্যপদক, ৪৩টি ব্রোঞ্জপদক। এ ছাড়া রয়েছে ৪০টি সম্মানজনক স্বীকৃতি। প্রায় প্রতিবছরই সেরা ২০টি দলের মধ্যে অবস্থান করেছে বাংলাদেশ দল।