বেলুন উড়িয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল ও কলেজ মাঠে ডাচ-বাংলা ব্যাংক প্রথম আলো রাজশাহী আঞ্চলিক গণিত উৎসবের উদ্বোধন করা হচ্ছে। ছবি: প্রথম আলো

 

ঘন কুয়াশা ভেদ করে রাজশাহীর আকাশে উড়ে গেল এক ঝাঁক বেলুন। শিক্ষার্থীদের করতালিতে মুখরিত হয়ে উঠল রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল ও কলেজের মাঠ। শুরু হলো ডাচ-বাংলা ব্যাংক প্রথম আলো রাজশাহী আঞ্চলিক গণিত অলিম্পিয়াড উৎসব। আজ শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে পতাকা উত্তোলনের সঙ্গে সঙ্গে বেজে ওঠে জাতীয় সংগীত। রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড মডেল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মকবুল হোসেন বেলুন উড়িয়ে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন। রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৯৭২ শিক্ষার্থী এ উৎসবে অংশ নিচ্ছে।

 

ডাচ-বাংলা ব্যাংক প্রথম আলো রাজশাহী আঞ্চলিক গণিত উৎসবে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল ও কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৯৭২ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। ছবি: প্রথম আলো


বেলুন উড়িয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল ও কলেজ মাঠে ডাচ-বাংলা ব্যাংক প্রথম আলো রাজশাহী আঞ্চলিক গণিত উৎসবের উদ্বোধন করা হচ্ছে। ছবি: প্রথম আলো

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের পতাকা উত্তোলন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক সুব্রত মজুমদার। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন অধ্যক্ষ মকবুল হোসেন ও গণিতের পতাকা উত্তোলন করেন ডাচ-বাংলা ব্যাংকের রাজশাহী শাখার ব্যবস্থাপক আবু মো. আরিফুর রহমান। এ পর্বে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ইকবাল মতিন, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক জালাল উদ্দিন।
উদ্বোধনের সময় মকবুল হোসেন বলেন, আজকের উৎসবে যারা অংশ নিয়েছে, তাদের হাতেই আগামী দিনের বাংলাদেশের দায়িত্ব অর্পিত হবে। তিনি বলেন, প্রথম আলো বরাবরই একটি বিজ্ঞান মনস্ক জাতি গঠনের জন্য গণিত অলিম্পিয়াডের মতো কর্মসূচির আয়োজন করে যাচ্ছে। এ জন্য প্রথম আলোকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
উদ্বোধনী পর্বের পর গণিত অলিম্পিয়াডে অংশ নেওয়া ৯৭২ শিক্ষার্থী এক ঘণ্টা ১৫ মিনিটের একটি পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষা শেষে চলবে শিক্ষার্থীদের প্রশ্নোত্তর পর্ব। খাতা দেখা শেষ হওয়া পর্যন্ত এই পর্ব চলবে।