All the latest activities

রেজিস্ট্রেশন চলবে প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত। বাংলা ও ইংরেজি উভয় মাধ্যমের বেলায় এটি প্রযোজ্য হবে। ব্যক্তিগত পর্যায়ে যে কেউ অংশ নিতে পারবে, তবে রেজিস্ট্রেশন করার সময় শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র, বেতনের রসিদ, ফলাফলের বিবরণী কিংবা এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র যেকোনো একটি প্রমাণ হিসেবে দেখাতে হবে।

সব আঞ্চলিক উৎসবে ‘আগে এলে আগে’ ভিত্তিতে নির্ধারিত সংখ্যক শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন করা হবে।
চারটি ক্যাটাগরিতে গণিত অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৩ সালের অধীত শ্রেণী অনুযায়ী ক্যাটাগরি নির্ধারিত হবে।

ক্যাটাগরি বাংলা মাধ্যম/শিক্ষাবোর্ডের অধীন ইংরেজী মাধ্যম/ব্রিটিশ সিস্টেম
ক. প্রাইমারী তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী Std III - Std V
খ. জুনিয়র ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী Std VI - Std VIII
গ. সেকেন্ডারী নবম, দশম শ্রেণী ও এসএসসি পরীক্ষার্থী O Level and O Level's Examinee
ঘ. হায়ার সেকেন্ডারী একাদশ , দ্বাদশ শ্রেণী ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী A Level and A Level's Examinee


ঠাকুরগাঁও অঞ্চল: পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও
যোগাযোগ: আমাদের বাজার, দোকান নং-৪১ (দ্বিতীয় তলা), মোহাম্মদ আলী সড়ক, ঠাকুরগাঁও।
প্রয়োজনে: ০১৭৫১০৬৩২২০ ও ০১৭৩৮৭১০৩৭৯

দিনাজপুর অঞ্চল: দিনাজপুর জেলা
যোগাযোগ: প্রথম আলো অফিস, স্টেশন রোড, হোটেল কণিকার নিচতলা, দিনাজপুর।
প্রয়োজনে: ০১৭২১৭৮৬৩১২ ও ০১৭১৯০৪২৯৩৪।

রংপুর অঞ্চল: নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, জয়পুরহাট, লালমনিরহাট ও রংপুর।
যোগাযোগ: প্রথম আলো রংপুর অফিস, আইনজীবী সমিতি ভবন, কাচারী বাজার, রংপুর।
প্রয়োজনে: ০১৭১৫৯৪৯৪৪২ ও ০১৭৩৭৩৪৫৫১৭

বগুড়া অঞ্চল: সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা ও বগুড়া
যোগাযোগ: প্রথম আলো অফিস, সোবহান প্লাজা (তৃতীয় তলা), কবি কাজী নজরুল ইসলাম সড়ক সাতমাথা, বগুড়া।
প্রয়োজনে: ০১৭১৯০২৩৩২২ ও ০১৭২৭৪৬৪০২৯

রাজশাহী অঞ্চল: পাবনা, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর ও রাজশাহী
যোগাযোগ: প্রথম আলো রাজশাহী অফিস, ২০৯ কুমারপাড়া, বোয়ালিয়া থানার মোড়, রাজশাহী।
প্রয়োজনে: ০১১৯৫২০৯৫২৬ ও ০১৭২২৮৫৬৮৬৭

ঝিনাইদহ অঞ্চল: মাগুরা, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ
যোগাযোগ: ফরেন ভিউ, এইচ এস এস সড়ক (পুরাতন ডিসি কোর্টের সামনে), ঝিনাইদহ। প্রয়োজনে: ০১৭২১৬৯৩৫২০ ও ০১৯১৯৭৫২৮৬৮

সিলেট অঞ্চল: সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সিলেট
যোগাযোগ: প্রথম আলো সিলেট অফিস, অ্যাপেক্স গ্যালারির বিপরীতে, বারুতখানা, সিলেট।
প্রয়োজনে: ০১৭৩৬৮৫২০২৫ ও ০১৬৮২৮১০৫৫৫

যশোর অঞ্চল: নড়াইল ও যশোর
যোগাযোগ: প্রথম আলো যশোর অফিস, সমবায় ইউনিয়ন ভবন, এম এম আলী রোড, যশোর
প্রয়োজনে: ০১৭১৫২৯৩১৪১ ও ০১৯১৩৫৮৭৫৫৩।

খুলনা অঞ্চল: সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও খুলনা
যোগাযোগ: প্রথম আলো খুলনা অফিস, ত্রিভিন টাওয়ার (চতুর্থ তলা), ৩/১ কেডিএ এভিনিউ, শিববাড়ি মোড়, খুলনা।
প্রয়োজনে: ০১৯৩৭৭১৭১৪১ ও ০১৭১৮৪৮৫৬৬৫

ফরিদপুর অঞ্চল: মাদারীপুর, শরীয়তপুর, রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ
যোগাযোগ: প্রথম আলো ফরিদপুর অফিস, নিলটুলী, মুজিব সড়ক, ফরিদপুর।
প্রয়োজনে: ০১৭২৪০৭৮২১০ ও ০১৭৩৪৩১০৬৪৭।

বরিশাল অঞ্চল: ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও বরিশাল
যোগাযোগ: প্রথম আলো বরিশাল অফিস, ১৭ প্যারারা রোড (দ্বিতীয় তলা), বরিশাল।
প্রয়োজনে: ০১৯২৩৫৯১০৩৩ ও ০১৯১৩৮৯৫৬৬৫

পটুয়াখালী অঞ্চল: বরগুনা ও পটুয়াখালী
যোগাযোগ: প্রথম আলো অফিস, সমবায় ব্যাংক লিঃ, নতুন বাজার, পটুয়াখালী।
প্রয়োজনে: ০১৭৩৪৮৮১৫৬৪ ও ০১৭১৬২৭৮১২২

ভোলা অঞ্চল: ভোলা জেলা
যোগাযোগ: প্রথম আলো ভোলা অফিস, তালুকদার মহল (২য় তলা) মোল্লা পট্টি, কালীনাথ রায়ের বাজার, ভোলা।
প্রয়োজনে: ০১৯১৮০০৬৮৭২ ও ০১৭৩৫৭০৬৪৯২

ময়মনসিংহ অঞ্চল: কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, জামালপুর, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ
যোগাযোগ: প্রথম আলো ময়মনসিংহ অফিস, রাইয়ান ভিলা,
১৪ সাহেব আলী রোড, নতুন বাজার, ময়মনসিংহ।
প্রয়োজনে: ০১৭২৮৮৭৭৪০৫ ও ০১৭১৩৬৮৩৬৫২

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চল: হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নরসিংদী
যোগাযোগ: ফ্রেন্ডস কম্পিউটার সিস্টেম এন্ড অনলাইন, (সোনালী ব্যাংক, টিএ রোড শাখা সংলগ্ন) মন্তাজ ম্যানশন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
প্রয়োজনে: ০১৭১২৪৪৬১৪৬ ও ০১৭১২৮৫৬৪৩৯।

কুমিল্লা অঞ্চল: চাঁদপুর ও কুমিল্লা
যোগাযোগ: প্রথম আলো কুমিল্লা অফিস, কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন (তৃতীয় তলা), কান্দিরপাড়, কুমিল্লা।
প্রয়োজনে: ০১৭১৭৫২০০৯২ ও ০১৭২২৪৬১৭২০।

ফেনী অঞ্চল: লক্ষ্মীপুর, ফেনী ও নোয়াখালী
যোগাযোগ: প্রথম আলো ফেনী অফিস, ট্রাংক রোড, ফেনী।
প্রয়োজনে: ০১৮৪০৪৪৪৩৪৩ ও ০১৮১৮৭৪৩৯৩৮

রাঙামাটি অঞ্চল: রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি
যোগাযোগ: রাঙামাটি অফিস, বই একাডেমির ওপর তলা (ফরেস্ট রেস্ট হাউসের সামনে), বনরূপা, রাঙামাটি।
প্রয়োজনে: ০১৫৫৬৭০২৩৫৯ ।

চট্টগ্রাম অঞ্চল: চট্টগ্রাম ও বান্দরবান
যোগাযোগ: প্রথমা, সানমার স্প্রিং গার্ডেন, জামালখান, চেরাগী পাহাড়, চট্টগ্রাম।
প্রয়োজনে: ০১৬৭০৪৬২৮৪৪ ও ০১৮২৩৭১৫০৮৪

কক্সবাজার অঞ্চল: কক্সবাজার জেলা
যোগাযোগ: প্রথম আলো অফিস, হোটেল সাগরগাঁও, ঝাউতলা, কক্সবাজার।
প্রয়োজনে: ০১৭১৪৩৭৪৬৩৪ ও ০১৭৬৬৬৮৬০০৬।

নারায়ণগঞ্জ অঞ্চল: নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ
যোগাযোগ: নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন, চাষাড়া (প্রিপারেটরি স্কুলের পাশে), নারায়ণগঞ্জ।
প্রয়োজনে: ০১৭১১০৪০২১৬ ও ০১৭১১২২৭৬৪২

ঢাকা অঞ্চল: ঢাকা মহানগর, গাজীপুর ও মানিকগঞ্জ
যোগাযোগ: প্রথম আলো অফিস, ১৯ কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
প্রয়োজনে: ০১৫৩৪৮৯৯১২৩ ও ০১৯১৩৯১৬৬৩১

‘গণিত ক্যাম্প! শুনলেই কেমন ভয় ভয় লাগত। মনে হয়েছিল, এখানে সবাই সারাক্ষণ ডুবে থাকবে গণিতের মহাসমুদ্রে!’ বলল চট্টগ্রাম গ্রামার স্কুলের শিক্ষার্থী সমাপ্তি শিকদার। তবে ক্যাম্পে ভাবনার সঙ্গে কোনো মিল পেল না সে। কেননা এখানে আড্ডা, গান, গল্প সবই আছে। আর সবকিছুর সঙ্গে যুক্ত ছিল একটি বিষয়—গণিত!
‘গণিতের সমস্যা এত আনন্দের সঙ্গে সমাধান করা যায়, তা জানা ছিল না। সমস্যা সমাধানের নতুন নতুন অনেক কৌশল শিখেছি। এ ছাড়া ছিল রুটিনমাফিক ক্লাস, একসঙ্গে আড্ডা ও নতুন বন্ধুতা। সব মিলিয়ে অনেক মজা।’ বলে অয়ন্তিকা রিন্তি বোস। এবারই প্রথম আবাসিক গণিত ক্যাম্পে যোগ দিয়েছিল দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে।


আঞ্চলিক ও জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াডে মেয়েদের সাফল্য তুলনামূলকভাবে কমতে থাকায় শুধু মেয়েদের জন্যই যদি কোনো ক্যাম্পের আয়োজন করা যায়, তাহলে কেমন হয়? এমন ভাবনা থেকেই এই ক্যাম্পের আয়োজন করে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি। যার নাম দেওয়া হয় ‘লীলাবতী গণিত ক্যাম্প’। একাদশ শতকের ভারতীয় গণিতবিদ লীলাবতীর নামে এই ক্যাম্প। এর আগেও মেয়েদের নিয়ে এমন একটি ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছিল, এটি ছিল দ্বিতীয় আয়োজন।
২২ থেকে ২৪ আগস্ট ঢাকার আদাবরে পদক্ষেপ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ডরমিটরিতে অনুষ্ঠিত হয় ক্যাম্পটি। দশম ও একাদশ গণিত অলিম্পিয়াডের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে সারা দেশ থেকে নির্বাচিত সেরা ২৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয় এই ক্যাম্পে। ক্যাম্পে অংশ নেওয়া সবাই ছিল ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। ক্যাম্পটির পরিকল্পনা ও পরিচালনা করেন ২০০৯ সালের অলিম্পিয়াডে আন্তর্জাতিক গণিত (আইএমও) ব্রোঞ্জপদকজয়ী ও বর্তমানে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এমআইটি) অধ্যয়নরত নাজিয়া চৌধুরী।
২২ আগস্ট সকালে শুরুতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা পরস্পরের সঙ্গে পরিচিত হন। এরপর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে ক্যাম্পটি শুরু করেন বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান। তার পর থেকে শুরু হয় ক্লাস, গ্রুপ স্টাডি, হোমওয়ার্ক ও সেগুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা। দেওয়া হয় শিক্ষার্থীদের গণিতের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ, ধারণা দেওয়া হয় জটিল সমস্যা সমাধানের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের অভিজ্ঞতা বিনিময় করে আগের আইএমওতে কয়েকজন অংশগ্রহণকারী। গণিত ক্যাম্প, তাই বলে কি আনন্দ থেমে থাকবে? বাড়ি থেকে অনেক দূরে অন্য রকম একটি পরিবেশে গণিতের এ ক্যাম্পকে আনন্দমুখর করে রাখতে ছিল বিভিন্ন আয়োজন। চমক হাসানের ‘গণিতের রঙ্গ’-এর ভিডিও প্রদর্শন। দেখানো হয়েছে সিনেমা। ছিল ক্যাম্পারদের অংশগ্রহণে গান, আবৃত্তি, খেলাধুলা, গল্প বলাসহ নানা আয়োজন।
ক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে যোগ দিয়েছিলেন গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী। তিনি আশা ব্যক্ত করে বলেন, ‘আইএমওতে বাংলাদেশের এমন একটি দল দেখতে চাই, যেখানে ছয় সদস্যের মধ্যে ছয়জনই থাকবে মেয়ে।’ ক্যাম্পে আরও যোগ দিয়েছিলেন গণিত অলিম্পিয়াডের সহসভাপতি অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ, গণিতবিদ অধ্যাপক খোদাদাদ খান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ইয়াসমিন হক, প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী, অভীক রায়, গণিত অলিম্পিয়াডের একাডেমিক কাউন্সিলর চিকিৎসক সৌমিত্র চক্রবর্তীসহ অনেকে। ক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থীর জন্য ছিল সনদপত্র। ক্যাম্পের পুরো আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা করে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড এবং ব্যবস্থাপনায় ছিল প্রথম আলো।

কলম্বিয়ায় অনুষ্ঠিত ৫৪তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে (আইএমও) তিনটি ব্রোঞ্জ পদক আর একটি সম্মানজনক স্বীকৃতি নিয়ে দেশে ফিরল বাংলাদেশ গণিত দল। বাংলাদেশ গণিত দলের চার সদস্য ও উপদলনেতা মঙ্গলবার রাতে হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে এসে পঁেৌছান।

রাত সাড়ে এগারটার দিকে লাল-সবুজের পোশাক পরে একে একে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে আসেন ব্রোঞ্জ পদক বিজয়ী ঢাকা কলেজের শিক্ষাথর্ী সেৌরভ দাশ, নূর মোহাম্মদ সফিউল্লাহ, ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের আদীব হাসান ও সম্মানসূচক স্বীকৃতি পাওয়া ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজের শিক্ষাথর্ী মো. জাহিদুল হাসান এবং উপদলনেতা মুনির হাসান ।

মুনির হাসান সাংবাদিকদের জানান, আমাদের ছেলেরা তাদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। দলের গড় প্রাপ্তনম্বর সনে্তাষজনক। তারা আন্তজার্তিক এই মেধার লড়াইয়ে নিজেদেরকে তুলে ধরতে চষ্টো করেছে এবং ভালো করেছে।'

বাংলাদেশ গণিত দলকে ফুলের তোড়া ও মালা দিয়ে বরণ করে নেন প্রথম আলোর উপফিচার সম্পাদক পল্লব মোহাইমেন। এসময় গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সমন্বয়ক বায়েজিদ ভূঁইয়া, গণিত দলের সদস্যদের আত্মীয়স্বজন, গণিত অলিম্পিয়াডের স্বেচ্ছাসেবক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এবার নবমবারের মতো আইএমওতে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। গত ১৮ থকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত কলম্বিয়ার সান্তা মার্তা শহরে অনুষ্ঠিত হয় গণিতের সবচেয়ে মর্যাদার এই প্রতিযোগিতা। ডাচ&-বাংলা ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতায় ও প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনায় সারা দেশে গণিত উত্সব আয়োজনের মাধ্যমে ৫৪তম আইএমওর জন্য চারজনের বাংলাদেশ গণিত দল নির্বাচন করে করেছে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি।

মুনির হাসান, সান্তা মার্তা (কলম্বিয়া) থেকে | জুলাই ২৯, ২০১৩ |

মানুষে মানুষে সখ্য, ঐক্য, ভালোবাসা এবং মুক্তির জন্য বিজ্ঞান ও গণিতের উত্তরোত্তর ব্যবহারের আহ্বানের মধ্য দিয়ে গত শনিবার শেষ হলো ৫৪তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের (আইএমও) আসর। সমাপনী অনুষ্ঠানটি ছিল লাতিন আমেরিকার মুক্তিকামী মানুষের অগ্রণী নায়ক সাইমন বলিভারের জাদুঘরের সামনে। অনুষ্ঠানে সোনা, রুপা ও ব্রোঞ্জ পদক বিজয়ীদের গলায় পদক পরিয়ে দেওয়া হয়। বক্তারা শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ দেশে শিক্ষাদূত হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে এক ভিডিও বার্তায় কলম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি শিক্ষার্থীদের বলেন, ভাষা ও গণিতে উৎকর্ষ অর্জনের মাধ্যমেই কেবল মানব জাতির বৃহত্তর সমস্যাগুলোর উত্তরণের পথ খুঁজে পাওয়া যাবে। ২০১৪ সালের আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধিদের হাতে আইএমওর পতাকা তুলে দেওয়ার মাধ্যমে শেষ হয় এবারের আনুষ্ঠানিকতা। ২০১৪ সালের ৩ থেকে ১৩ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন শহরে ৫৫তম আইএমও অনুষ্ঠিত হবে। পরে হোটেল আইরোতমাতে ফিরে দলনেতা, উপদলনেতা, শিক্ষার্থীরা নৈশভোজে অংশ নেয়। গতকাল রোববার সকাল থেকে প্রতিযোগীরা সান্টা মার্তা শহর ত্যাগ করতে শুরু করেছে। তিনটি ব্রোঞ্জপদক বিজয়ী বাংলাদেশ দলের কাল মঙ্গলবার ঢাকা ফেরার কথা রয়েছে। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনায় সারা দেশে গণিত অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়। এর আয়োজক বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি। এ আয়োজনের মাধ্যমে আইএমওর জন্য বাছাই করা হয় প্রতিযোগী।

মুনির হাসান, সান্তা মার্তা (কলম্বিয়া) থেকে |  জুলাই ২৮, ২০১৩

এবার তিনটি ব্রোঞ্জপদক ও একটি সম্মানসূচক স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশ গণিত দল। কলম্বিয়ায় অনুষ্ঠিত ৫৪তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে এ অর্জনের (আইএমও) মাধ্যমে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় থাকল। গত শুক্রবার রাতে আইএমওর বিচারকেরা পদকের নম্বর চূড়ান্ত করেন।ব্রোঞ্জপদক পাওয়া বাংলাদেশ গণিত দলের সদস্যরা হলো ঢাকা কলেজের নূর মোহাম্মদ সফিউল্লাহ, সৌরভ দাশ ও ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের আদীব হাসান। ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজের মো. জাহিদুল হাসান পেয়েছে সম্মানসূচক স্বীকৃতি। গণিতের এ বিশ্ব আসরে মোট ৪২ নম্বরের মধ্যে সফিউল্লাহ ২১, আদীব ১৭, সৌরভ ১৫ এবং জাহিদুল ৭ পেয়েছে। ৩১ বা তার চেয়ে বেশি নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সোনা, ২৪-৩০-এ রৌপ্য এবং ১৫-২৩-এ ব্রোঞ্জ পদক দেওয়া হয়। ৯৭টি দেশের ৫২৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মোট ২৭৮ জন পদক পেয়েছে। এর মধ্যে ৪৫ জন সোনা, ৯২ জন রুপা ও ১৪১ জন ব্র্রোঞ্জ এবং ১৪১টি সম্মানসূচক স্বীকৃতি পেয়েছে।

পাঁচটি সোনা ও একটি রৌপ্য নিয়ে ২০৮ নম্বর পেয়ে শীর্ষে রয়েছে চীন। আর সমান পদক নিয়ে ২০৪ নম্বর পেয়ে দ্বিতীয় গতবারের চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ কোরিয়া। বাংলাদেশের মোট নম্বর ৬০। অবস্থান ৬১তম। এবার ভারত ১২২ নম্বর পেয়ে ২৯তম, শ্রীলঙ্কা ৬৫ নম্বর পেয়ে ৫৬তম, পাকিস্তান ২৫ নম্বর পেয়ে ৭৯তম স্থানে রয়েছে। গত বছর আইএমওতে বাংলাদেশ একটি রুপা ও দুটি ব্রোঞ্জ পেয়েছিল।

বাংলাদেশের এবারের প্রাপ্তিতে অংশগ্রহণকারী সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সভাপতি জামিলুর রেজা চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ দলের ফলাফল সন্তোষজনক। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে আরও ভালো করবে।’ সংগঠনের সহসভাপতি মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, ‘আমি খুবই খুশি হয়েছি এ ফলাফলে। আমাদের ছেলেরা অন্য দেশের তুলনায় ধারাবাহিকভাবে ভালো করছে। এটা সত্যিই অনেক আনন্দের খবর। দলের সবাইকে শুভেচ্ছা।’

কলম্বিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশ দলের কোচ মাহবুব আলম মজুমদারও শিক্ষার্থীদের ফলাফলে খুশি। তিনি বলেন, ‘এবার রৌপ্য না পেলেও বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের গড় নম্বর বেড়েছে। তবে তারা আরও ভালো করতে পারত।’

এবারের আইএমওতে অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেএস তাবরেজ। তিনি জানান, ধারাবাহিক এ অর্জন বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে গৌরবান্বিত করেছে। ডাচ্-বাংলা ব্যাংক অতীতের মতো ভবিষ্যতেও গণিত উৎসবের পৃষ্ঠপোষকতা করবে।

আইএমওতে টানা নয় বছর অংশ নিয়ে বাংলাদেশের অর্জন একটি রৌপ্য, নয়টি ব্রোঞ্জ এবং ১৬টি সম্মানসূচক স্বীকৃতি। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতা এবং প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনায় সারা দেশ থেকে ১৭টি গণিত উৎসবের মাধ্যমে প্রায় ২২ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে এবার ওই চারজন প্রতিযোগীকে বাছাই করে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি।

মুনির হাসান, সান্তা মার্তা (কলম্বিয়া) থেকে |  জুলাই ২৭, ২০১৩ | 
পাঠকেরা যখন এই প্রতিবেদন পড়বেন, ততক্ষণে প্রায় সব দেশের উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ শেষ হয়ে যাবে। সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য প্রতীক্ষার প্রহর। কত নম্বর পেলে একজন পাবে ব্রোঞ্চ পদক? কততে হবে সোনা বা রুপা? ২৫ তারিখেই বাংলাদেশ গণিত দলের কোচ মাহবুব মজুমদার আর আমি আমাদের শিক্ষার্থীদের ১, ২, ৪ ও ৬ নম্বরের মূল্যায়ন ও সমন্বয়ের কাজ শেষ করেছি। ২৬ তারিখে দুপুর (বাংলাদেশ সময় গতকাল মধ্যরাত) নাগাদ বাকি দুটি মূল্যায়নের কাজ শেষ হবে। আইএমওর নিয়মানুসারে উত্তরপত্র নিজ নিজ দেশের দলনেতা ও উপদলনেতার পাশাপাশি আয়োজকদের পক্ষ থেকেও মূল্যায়ন করা হয়। পরে উভয় পক্ষ প্রাপ্ত নম্বরের ব্যাপারে একমত হলেই তা শিক্ষার্থীর নম্বর হিসেবে গৃহীত হয়। চারটি সমস্যা থেকে আমাদের চার খুদে গণিতবিদের অর্জন যথাক্রমে নূর মোহাম্মদ সফিউল্লাহ ১৯, আদীব হাসান ১৬, সৌরভ দাশ ১৪ এবং মো. জাহিদুল হাসান ৭। প্রত্যেকেই কমপক্ষে একটি করে সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান করে নিজেদের সম্মানসূচক স্বীকৃতি নিশ্চিত করেছে। বাকি দুই সমস্যার ওপর নির্ভর করছে সফিউল্লাহ, আদীব ও সৌরভের পদকের নিশ্চয়তা। ২৬ তারিখের মূল্যায়ন শেষে ২৭ তারিখে ফলাফল ও পদকের হিসাব চূড়ান্ত হবে। এবার নিয়ে বাংলাদেশের খুদে গণিতবিদেরা নবমবারের মতো আইএমওতে অংশ নিচ্ছে। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতা এবং প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি সারা দেশে ১৭টি গণিত উৎসবের মাধ্যমে আইএমওর জন্য এই চার প্রতিযোগীকে নির্বাচিত করেছে।

মুনির হাসান, সান্তা মার্তা (কলম্বিয়া) থেকে |  জুলাই ২৬, ২০১৩ | 
আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে পরীক্ষার চাপ কমে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের আনন্দের সময় শুরু হয়েছে। বিচ ভলিবল ও টেবিল টেনিস ছাড়াও সমুদ্র আর সুইমিংপুলে সাঁতার কেটে সময় কাটিয়েছে বাংলাদেশ গণিত দলের সৌরভ, সফিউল্লাহ, জাহিদুল ও আদীব। তারা অন্য দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে টেবিল টেনিস খেলেছে। তবে প্রতিযোগীদের মধ্যে কিছুটা হলেও ফলাফল নিয়ে রয়েছে চিন্তা। কারণ, গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন এবং নম্বর সমন্বয়ের কাজ।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনায় সারা দেশে গণিত উৎসবের মাধ্যমে আইএমওর জন্য চার সদস্যের দল নির্বাচিত করে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি।
অলিম্পিয়াডে প্রথম দিনের পরীক্ষায় প্রশ্ন ছিল সংখ্যাতত্ত্ব, কম্বিনেটরিক্স আর জ্যামিতি থেকে। জ্যামিতির পরীক্ষাটি ছিল সেদিনের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন। তবে জ্যামিতি আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রিয় বিষয়। তাই তাদের তেমন একটা সাহায্য নিতে হয়নি।
পরীক্ষার্থীদের মতে, প্রথম দিনের তুলনায় দ্বিতীয় দিনের পরীক্ষার সমস্যাগুলো অনেকটা সহজ। জ্যামিতি ৪ নম্বরে থাকায় সেটি খুব সহজে সমাধান করা গেছে।
সান্তা মার্তায় পৌঁছানোর তৃতীয় দিনের মাথায় আমরা শহরটি ঘুরে দেখার সুযোগ পেলাম। আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় দিনের পরীক্ষা শুরুর পর আমরা বাসে চড়ে বের হলাম। কিছুক্ষণ পর যেখানে থামলাম, সেটি একটি বিশ্ববিদ্যালয়। তবে দেখতে অনেকটা উদ্যানের মতোই। ছেলেমেয়েরা সবাই গল্পগুজব আর হই হট্টগোলে ব্যস্ত। আমাদের নিয়ে যাওয়া হলো পাঠাগারে। নীরবতা ভেঙে প্রথমে দেখানো হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিতিমূলক একটা ভিডিওচিত্র। জানলাম, সেখানে ১৮টি শাখায় ২১৯টি ডিসিপ্লিনে পড়ানো হয় এবং বিভিন্ন ডিগ্রি দেওয়া হয়।

মুনির হাসান, সান্তা মার্তা (কলম্বিয়া) থেকে | জুলাই ২৪, ২০১৩

পাঠকেরা যখন এই খবর পড়বেন, ততক্ষণে ৫৪তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের (আইএমও) প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষ হয়ে গেছে। সাড়ে চার ঘণ্টার এই পরীক্ষা বাংলাদেশ সময় গতকাল মঙ্গলবার রাত একটায় শেষ হয়।
পরীক্ষার কারণে প্রতিযোগীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ নেই। শুধু বিশেষ একটি স্থানে কয়েকটি কম্পিউটারে ই-মেইলসহ প্রাথমিক কিছু কাজের জন্য সংযোগসুবিধা রয়েছে। দ্বিতীয় দিনের পরীক্ষা শেষে ইন্টারনেট উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
এর আগে সোমবার সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজনটি ছিল আইএমওর অন্যতম সহযোগী বিরানকিউলাস শহরে অবস্থিত নর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনডোর বাস্কেটবল কোর্টে। অনুষ্ঠানে শহরের মেয়র এলসা নগুয়েরা জানালেন, বরানকিউলাসের নানান সাফল্য-ব্যর্থতার কথা। ২০০৬ সালে শহরটি দেউলিয়া হয়ে পড়ে। কিন্তু ২০০৮ সালে নতুন উদ্যমে শহরকে গড়ে তোলা হয়। এখন সেখানে সাক্ষরতার হার শতভাগ, যা দেশের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রধান শহরের মর্যাদা এনে দিয়েছে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন কলম্বিয়ার শিক্ষামন্ত্রী মারিয়া ফার্নান্ডো, আইএমও উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান নজর আগাখানভ।
স্প্যানিশ গানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শ্রোতাদের মুগ্ধ করে ৭ থেকে ১৯ বছরের একদল শিক্ষার্থী। সবচেয়ে জমজমাট অংশটি ছিল প্রায় ১০০ জন শিল্পীর কারুকার্যখচিত জামা পরে নৃত্য পরিবেশনা। এতে উঠে আসে দক্ষিণ আমেরিকার সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য।
সাংস্কৃতিক দলের সদস্যরা প্রতিটি দেশের গণিত দলকে নেচেগেয়ে মঞ্চে নিয়ে আসেন। প্রত্যেকের সঙ্গে ছিল নিজ নিজ দেশের জাতীয় পতাকা। ইংরেজি বর্ণমালা অনুসারে প্রায় প্রথম দিকেই মঞ্চে ডাক পায় বাংলাদেশের সৌরভ, সফিউল্লাহ, জাহিদুল ও আদীব। অনুষ্ঠানে দেখা গেল আরএমওতে মেয়েদের অংশগ্রহণ কমে যাচ্ছে। কিন্তু বাড়ছে আরব দেশগুলোর মেয়েদের অংশগ্রহণ।
উপস্থাপকের জানানো তথ্য থেকে বুঝলাম এই আয়োজনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ করার জন্য আবেদন করেছে কলম্বিয়া। তাদের দাবি, এটিই দক্ষিণ আমেরিকার আদি রেড ইন্ডিয়ানের ঐতিহ্যের অংশ। আর প্রায় ২০০ বছরের বেশি সময় ধরে কলম্বিয়ানরা এই ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। ঠিক তখন বুঝলাম কেন আমাদের এখানে আনা হয়েছে। কারণ তাতে বিশ্বের ১০৩টা দেশের সামনে কলম্বিয়ার দাবিটি উঠে এল।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি সারা দেশ থেকে ১৭টি আঞ্চলিক অলিম্পিয়াডের ২২ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে চারজনের বাংলাদেশ দল ঠিক করে।

Bangladesh Mathematical Olympiad Committee Logo
Bangladesh Mathematical Olympiad Committee is the organization who organizes the Math Olympiad each year across the country with the support form Dutch Bangla Bank & Prothom Alo.
© 2021, Bangladesh Mathematical Olympiad Committee

Quick Links

Contact Info

+880-2-8180078-81 Ex-2128
info@matholympiad.org.bd

Build With by Nasir Khan Saikat
Theme by JoomShaper

Search